Wednesday, January 11, 2012

কি করে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে ??......পড়ুন এবং জেনে রাখুন.... জীবন বাচাতে পারেন



STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R

আমার বন্ধু আমাকে এই ছবিটি পাঠিয়েছে এবং আমাকে এই কথাগুলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য উৎসাহ দিয়েছে। আমরা সবাই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্পঃ

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।

সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।

সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।

একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন...

সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।

T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।

R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে

একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।

সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান!!!

আমি চাইনা এরকম অসচেতরতার কারণে কেউ জীবন হারাক........তাই শেয়ার করলাম।

সম্পূর্ণ লেখাটি ফেসবুক থেকে Sadan Chowdhury নামের একজনের কাছে থেকে নিয়েছি....উনাকে অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য

Tuesday, January 10, 2012

সেপ্টেম্বরে পেপাল খুলছে বাংলাদেশে


ইন্টারনেট ভিত্তিক অর্থ লেনদেন গেটওয়ে পেপ্যাল নিয়ে বাংলাদেশীদের হতাশার দিন শেষ হতে চলেছে। আগামী জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর (বছরের তৃতীয় প্রান্তিক) মাসের মধ্যে বাংলাদেশে পেপ্যাল তাদের কার্যক্রম শুরু করবে বলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিস বা বেসিস নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছেন পেপ্যাল সংশ্লিষ্ঠরা। আজ শনিবার বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পেপ্যাল-এর অভাবে দেশের ফ্রিল্যান্সার এবং আইসিটি খাতের ব্যবসায়ীদের প্রচুর সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এটি সমাধানে আমরা বেসিসের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি প্রথম থেকেই। সম্প্রতি ঢাকায় ই-এশিয়া সম্মেলনে আমরা যে ফ্রিল্যান্সিং সম্মেলন করেছিলাম সেখানেও সাধারণ ফ্রিল্যান্সাররা দেশে পেপ্যাল চালুর জোর দাবী জানান। সম্মেলনে উপস্থিত ইন্টেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ডেভিস বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেন, আমরাও তাঁকে বোঝাই বাংলাদেশে পেপ্যাল-এর প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে। ডেভিস যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গিয়ে পেপ্যাল-এর প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর কথা বলেন। তাঁর কথায়ই আমাদের দেশে কার্যক্রম শুরুর আগ্রহ দেখিয়েছেন পেপ্যাল। এবছরের তৃতীয় প্রান্তিকেই বাংলাদেশে পেপ্যাল তাদের কার্যক্রম শুরু করবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।



বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখানে কার্যক্রম শুরু করতে পেপ্যাল-এর কোন আইনগত ঝামেলা নেই। বাংলাদেশে আসলে নিজেদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হবে এমন আশংকা থেকেই এতদিন সেবাটি চালুতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিলো প্রতিষ্ঠানটি। তাছাড়া বিদেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ইমেজের জন্যও টাকা লেনদেনের এই কোম্পানীটি আগ্রহ প্রকাশ করেনি। মাহবুব জামান মনে করেন, যারা বাংলাদেশের ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালিয়েছে, তারা দেশের সাংঘাতিক রকমের একটি ক্ষতি সাধন করেছে।
তথ্যপ্রযুক্তিক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক এই পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে বৈধতা পেলে আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা এলেও তা রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। অবৈধ উপায়ে এগুলো দেশে প্রবেশ করছে। আমাদের দেশের তরুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এতো কষ্ট করে যে বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করছেন, সেটা কেবলমাত্র সিস্টেমের কারণে “কালো টাকা”য় পরিনত হয়ে যাচ্ছে, যা উপার্জনকারীর জন্য মোটেও সুখকর বিষয় নয়। এই ব্যবস্থার ফলে, আমাদের তরুন প্রজন্ম সেই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।

Monday, January 2, 2012

কাহালু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৮ বছরপূর্তি : নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা

বগুড়ার কাহালু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হলো। বিদ্যালয়ের ৬৮ বছরপূর্তি উৎসব যেন নবীন ও প্রবীণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
গত রোববার সকাল থেকে দিনভর অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য রালি, চা-বিরতি, পরিচিতি পর্ব ও মুক্ত আলোচনা সভা। এ ছাড়া নিবন্ধনকৃত ছাত্রদের লটারির আয়োজন করা হয়। শেষে কাহালু থিয়েটারের সার্বিক সহযোগিতায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১৯০০ সালে জমিদার পেরিলাল মজুমদার কাহালু পাল্লাপাড়ায় একটি পাঠশালা স্থাপন করেন। এ পাঠশালায় তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান শুরু হয়।
১৯১০ সালে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পায়। ১৯৪০ সালে জমিদার কালীপদ মজুমদার ও তশরতুল্লা কবিরাজের সার্বিক সহযোগিতায় এখানে নবম ও ১০ম শ্রেণীর পাঠদান শুরু হয়। ১৯৪৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এ বিদ্যালয় ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত মঞ্জুরিপ্রাপ্ত হয়। ২০০৯ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রাজশাহী বোর্ডের মধ্যে এই বিদ্যালয় অষ্টম স্থানের অধিকারী হয়। বগুড়া জেলার মধ্যে এ বিদ্যালয়টি অনেকটা উন্নত হলেও প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বড় কোনো অনুষ্ঠান হয়নি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামাল উদ্দিন কবিরাজ সাবেক ছাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ লিয়াকত আলী সরদার, গ্রাম থিয়েটারের রাজশাহী বিভাগীয়প্রধান আঃ হান্নান, সেফগার্ড স্কুলের অধ্যক্ষ আলহাজ আবুল হোসেন, কাহালু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ আঃ মান্নান, ফ্রেন্ডস সার্কেল ৯৪-এর সভাপতি মইনুল ইসলাম তালুকদারসহ অনেকের সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদের একত্র করার চেষ্টা করেন।
ফলে বর্ণিল আয়োজনে এ অনুষ্ঠানটি নবীব ও প্রবীণদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া সাবেক ছাত্রদের মধ্যে অনেকেই গুণীজন। মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা কাহালু উচ্চ বিদ্যালয়ে সাবেক ছাত্র হিসেবে অনেকটা গর্ববোধ করেন।