তিনি বলেন, পেপ্যাল-এর অভাবে দেশের ফ্রিল্যান্সার এবং আইসিটি খাতের ব্যবসায়ীদের প্রচুর সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এটি সমাধানে আমরা বেসিসের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি প্রথম থেকেই। সম্প্রতি ঢাকায় ই-এশিয়া সম্মেলনে আমরা যে ফ্রিল্যান্সিং সম্মেলন করেছিলাম সেখানেও সাধারণ ফ্রিল্যান্সাররা দেশে পেপ্যাল চালুর জোর দাবী জানান। সম্মেলনে উপস্থিত ইন্টেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ডেভিস বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেন, আমরাও তাঁকে বোঝাই বাংলাদেশে পেপ্যাল-এর প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে। ডেভিস যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গিয়ে পেপ্যাল-এর প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর কথা বলেন। তাঁর কথায়ই আমাদের দেশে কার্যক্রম শুরুর আগ্রহ দেখিয়েছেন পেপ্যাল। এবছরের তৃতীয় প্রান্তিকেই বাংলাদেশে পেপ্যাল তাদের কার্যক্রম শুরু করবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তিক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক এই পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে বৈধতা পেলে আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা এলেও তা রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। অবৈধ উপায়ে এগুলো দেশে প্রবেশ করছে। আমাদের দেশের তরুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এতো কষ্ট করে যে বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করছেন, সেটা কেবলমাত্র সিস্টেমের কারণে “কালো টাকা”য় পরিনত হয়ে যাচ্ছে, যা উপার্জনকারীর জন্য মোটেও সুখকর বিষয় নয়। এই ব্যবস্থার ফলে, আমাদের তরুন প্রজন্ম সেই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।
No comments:
Post a Comment